হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে গত এক সপ্তাহে ৫১৯ জন হাজতি আসামি জামিনে মুক্তিলাভ করেছেন। ওই সময়ে দায়রা জজ, তিনটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৭টি জুডিশিয়াল আদালতসমূহে মোট ৬৬৪টি মামলার জামিন শুনানি হয়। গত ১২ মে থেকে হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়।
সবচেয়ে বেশি মামলার শুনানি করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আমজাদ হোসেন। তার আদালতসহ ৪টি আদালতের মোট ১৫৬টি মামলার জামিন শুনানি করেন। ১০২টি মামলায় ১৫২ জন আসামি জামিন পেয়েছেন।
সারা দেশে করোনা প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পর সরকার ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর নির্দেশ দিলে প্রথমে হবিগঞ্জের আইনজীবীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। স্মার্টফোন ও তথ্যপ্রযুক্তির নতুন এই ধারা সম্পর্কে অনেকেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় বিশেষ করে প্রবীণ আইনজীবীদের মনে কীভাবে মোয়াক্কেলদের পক্ষে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন এ নিয়ে মনে অস্বস্তিতে পড়েন। আইনজীবীদের মধ্যে কেউ কেউ কোর্ট বর্জনেরও চিন্তাভাবনা করছিলেন। কিন্তু তরুণ আইনজীবীরা তা কানে না নিয়ে ভার্চুয়াল কোর্টকে স্বাগত জানানোয় দিন দিন জামিন আবেদন বাড়ছে।
এ প্রসঙ্গে আইনজীবী ফাতেমা ইয়াসমিন বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি যতটা কঠিন মনে করেছিলাম আসলে ততটা কঠিন নয়। শামীম পারভীন বলেন, ভার্চুয়াল আদালতে জটিলতা কম। ঘরে বসেই আইনজীবীরা আদালতে অংশগ্রহণ করতে পারছেন। করোনার দুর্যোগে এর মাধ্যমে সবার নিরাপত্তাটাও নিশ্চিত হচ্ছে ।