৩ শতাধিক পরিবারে দীপ্তিময় অক্টালের ত্রাণ

করোনাভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া সরিষাবাড়ীর অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত এবং নিম্নবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সামাজিক সংগঠন ‘দীপ্তিময় অক্টাল’। 

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর সংগঠনটির উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে করোনায় কর্মহীন ও অসহায় তিন শতাধিক পরিবারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্যসামগ্রী উপহার দেওয়া হয়েছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার আরামনগর বাজার, আরামনগর গ্রাম, সাতপোয়া, মূলবাড়ি, পূর্ব মূলবাড়ি, ময়ান মাস্টারবাড়ি, ব্যাপারিপাড়া, হাজিবাড়ি, বলারদিয়ার, বগাড়পার, পিংনা, বয়ড়া, হাজিপুর, বাগমারাসহ বিভিন্ন স্থানে খাদ্যসামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।

খাদ্যসামগ্রী হিসেবে ছিলো চাল, আলু, মসুর ডাল, তেল , সেমাই, চিনি, সাবান ও স্যুপ। 

বিভিন্ন গ্রামের প্রতিনিধির মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রীগুলো বাড়িবাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

দীপ্তিময় অক্টাল এর সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান সাদীর তত্ত্বাবধানে বিতরণ কাজের কো-অর্ডিনেটর ছিলেন সাবেক সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দীপ্তিময় অক্টালের সদস্য মো. সমাজ ইমরান, মাসুদুর রহমান মিলন, রকিবুল ইসলাম রবিন, মোহাম্মদ আলী শান্ত প্রমুখ।

সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম খোকন জানান, সরিষাবাড়ীর একঝাঁক মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণের হাতে গড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দীপ্তিময় অক্টাল। এটি ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজে জড়িত। এর অংশ হিসেবে সংগঠনের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী উপহার দেওয়া হলো।

তিনি আরো জানান, দীপ্তিময় অক্টাল এর প্রতিটি সদস্য দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। খাদ্য সহায়তার পেছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা কাজ করে গেছেন সবাইকে তিনি ধন্যবাদসহ পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।

সংগঠনটির উদ্যোক্তারা জানান, প্রায় ১৭ বছর যাবৎ সরিষাবাড়িতে দীপ্তিময় অক্টাল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে সরিষাবাড়ীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে আস্থার এক বিকল্প নাম এ সংগঠনটি। এদের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের ভেতর ছিল ইভটিজিংবিরোধী গণজাগরণ কার্যক্রম, সংঘাত নয় শান্তি এবং মনোবিকাশ আন্দোলন।

তারা জানান, সদস্যদের ব্যক্তিগত চাঁদা কিংবা শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাঁদাতেই পরিচালিত হয় এর কার্যক্রম। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চাইলেই তাদের কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারেন কিংবা সহায়তা করতে পারেন।