ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির ঈদের পরিকল্পনা ও ঘরবন্দি সময় নিয়ে দেশ রূপান্তরের নিয়মিত আয়োজন ‘একমুঠো আলাপ’-এ কথা বললেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান।
যেভাবে কাটবে ঈদের দিন…
ঈদের দিন এবার কিছু করা হচ্ছে না। বাসায় আমি আর মা থাকি। বাবা জার্মানিতে থাকেন। তো মার সঙ্গেই ঈদের দিনটা কাটাব।
কেমন কাটছে ঘরবন্দি সময়…
ঘরবন্দি সময় ভালোই কাটছে। মাকে সময় দিচ্ছি। আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কনটেন্ট বানাচ্ছি। এভাবেই সময় কেটে যাচ্ছে।
ঈদে ছোটপর্দায় সাফা কবির…
এবারের ঈদে আমার ১১টা নাটক প্রচারিত হবে। নাটকগুলোর জন্য অপেক্ষা করছি। প্রত্যেকটা নাটকের শুটিং লকডাউনের আগেই করা ছিল। লকডাউন না থাকলে হয়তো আরও নাটকে কাজ করতে পারতাম।
ঈদে কেনাকাটা?
না। এবার ঈদের জন্য কোনো কেনাকাটা করা হয়নি। কারণ এই কোভিড সিচুয়েশনে কেনাকাটার কোনো সুযোগও নেই। আর আমিও চাই না, এমন একটা পরিস্থিতিতে কেনাকাটার মতো বিলাসিতা করি।
ঘরবন্দি অবস্থায় মানসিক অস্থিরতা কাজ করে কিনা?
মানসিক অস্থিরতা ওই অর্থে নেই। তবে আমরা কেউই আসলে ঘরে থেকে অভ্যস্ত না। অনেক সময় বাসায় থাকতে থাকতে খারাপ লাগে তখন হয়তো ছাদ থেকে একটু ঘুরে আসি। এ ছাড়া কিইবা আর করার আছে। আর একটা জায়গায় তো খারাপ লাগার ব্যাপার অবশ্যই আছে। এ রকম অবস্থায় আমরা কখনোই ছিলাম না। তারপরও নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।
এই পরিস্থিতিতে নাট্য জগতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এটা নিয়ে কী ভাবছেন?
শুধু মাত্র আমাদের নাটকের মাধ্যম নয়, পুরো বিশ্বেই একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আর মিডিয়াতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেটা সহজে কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখি না। কারণ প্রথমে পুরো দেশ স্বাভাবিক হবে, লোকজন যখন স্বাভাবিকভাবে কাজ শুরু করবে তখন হয়তো আমরাও কাজ করতে পারব। কিন্তু এই সংকটের ফলে যে প্রভাবটা পড়বে সেখান থেকে কাটিয়ে উঠতে অনেক দিন লেগে যাবে। এটা কাটিয়ে উঠতে কমপক্ষে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে।
ভক্তদের উদ্দেশ্যে…
আমরা জানি, আমরা এবার ভিন্ন ধরনের একটা ঈদ কাটাতে যাচ্ছি, যেটা কখনোই কাটাতে হয়নি। কিন্তু তাই বলে আফসোস করতে হবে এমন না। ঈদ মানেই খুশি, আমরা বাসায় বসে পরিবারের সঙ্গেও ঈদের খুশিটা ভাগাভাগি করে নিতে পারব।