করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ থাকা যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে ক্রেতা বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচা কেনা করতে হবে।
বুধবার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ।
সভা শেষে জেলা প্রশাসক জানান, যশোর জেলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন থেকে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করলে দোকানপাট খুলতে পারবেন। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রত্যেক দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। পরস্পরের সঙ্গে নির্ধারিত দূরত্বও বজায় রাখতে হবে। বিকেল চারটা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে।
সভায় যশোর শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল গ্রিন ড্রিম লিমিটেডকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, টিবি হাসপাতালকে যেভাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে, সেভাবেই চলবে। বাড়তি হিসেবে গ্রিন ড্রিম লিমিটেড হাসপাতালকে ব্যবহার করা হবে।
এর আগের একটি সভায় যশোরের বেসরকারি কুইন্স হসপিটাল, ইবনে সিনা, নোভা মেডিকেল, জেনেসিস হসপিটালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
সিভিল সার্জন আরও জানান, বুধবার পর্যন্ত যশোরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মোট ১০০ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ মারা যাননি। অনেকে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, করোনা সংক্রান্ত সেনা তৎপরতায় যশোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল নেয়ামুল, সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন, জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলীপকুমার রায়, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।