পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বাড়ছে। করোনার কারণে সরকার ঘোষিত ছুটি শেষ হয়ে আসায় এবং ঈদ উদযাপন শেষে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের ২১ টি জেলার মানুষ ঢাকার দিকে ফিরতে শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাজার হাজার মানুষের ভিড় পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে। তবে গণ পরিবহন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের।
পাটুরিয়া ঘাটে দুপুর ১২ টার দিকে দেখা যায়, প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে আড়াই থেকে তিন শতাধিক মানুষ উঠছে। এতে কোন শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।
ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় মানিকগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে আসতে দেখা গেছে অনেককে। এখান থেকে রিক্সা, ভ্যান, অটোবাইক, পিকআপ, মাইক্রো, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলে যে যেভাবে পারছেন গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ফলে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
ঘাট এলাকা থেকে গাবতলির ভাড়া ১ শত টাকা হলেও গণ পরিবহন না থাকায় বিকল্প যানবাহনে ৫ থেকে ৭ শত টাকা পর্যন্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
যশোর থেকে আনিস নামে এক যাত্রী বলেন, কর্মস্থলে যেতে হবে তাই ১ শ টাকার ভাড়া ৫ শ টাকা দিয়ে প্রাইভেট কারে গাবতলি যাচ্ছি।
মাগুরা থেকে আসান মানিক মিয়া বলেন, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল এলাকায় কাজ করি, এক ঘণ্টা ধরে ঘাটে অপেক্ষা করছি। মানিকগঞ্জ থেকে গাবতলির ভাড়া, পিকআপ গেলে ৩-৪ শ, প্রাইভেট কারে ৫ শ আর মটর বাইকে গেলে জন প্রতি ৭ শ টাকা চাচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, এই নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৬ টি ফেরি সচল রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আমরা ৫টি ফেরি দিয়ে শুরু করলেও দুপুরে ৮টি ফেরি দিয়ে পারাপার শুরু করেছি। যানবাহন বাড়ার সাথে সাথে ফেরির সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে।