ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে গত দুদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে চলছে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা। আর এই সব ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ জন। হামলাকারিরা গবাদিপশু ও বাড়ির মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই হামলাগুলো ঘটে চতুল ইউনিয়নের রামনগর, বনচাকি, গুনবহা, ভেনাতলা ও উমরনগরে।
এদিকে বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উমরনগর গ্রামে দ্বিতীয় দফায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে প্রায় ১০/১২টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এর আগে ২৮ মে একই গ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান বলেন, কেন এমনটি হচ্ছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। দোষী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে। তিনি বলেন, যদি থানা-পুলিশের গাফিলতি থাকে তাহলে তাদেরও জবাবদিহি করতে হবে।
গুনবহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম জানান, উমরনগর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য দাউদ মেম্বার ও গুনবহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ছিরু’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই গ্রামে ২৮ মে বৃহস্পতিবার সকালে হামলা চালায় দাউদ মেম্বারের সমর্থকরা। একই গ্রুপ ২৯ মে শুক্রবার সকালে আবার রাজু ও হাফিজারের নেতৃত্বে ওসমান, বাদশা, তৈয়ব, লিটন, মামুন, আমিনুরসহ প্রায় ৫০/৬০ জনের একটি দুর্বৃত্ত দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১০/১২টি বাড়িঘর, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় ঘরের মধ্যে থাকা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টেলিভিশন, শোকেস, আলমারি, ওয়ারড্রপ, বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর করা হয়। এতে বাধা দিতে গেলে কয়েকজন নারী নিগৃহীত হয়।