ফেনীতে আরও ১৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

ফেনীতে আরও ১৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনিবার রাতে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৬৩টি নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আসে। সেখানে ১৮ জনের করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্তদের মধ্যে ১২ জন ফেনী সদর ও ৬ জন ছাগলনাইয়অ উপজেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এর মধ্যে ৩ বছরের একটি শিশুও রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, সদর উপজেলার ১২ জনের সবাই শহরের বাসিন্দা। এর মধ্যে উত্তর ডাক্তারপাড়ায় একই পরিবারের ৬ জন, ডাক্তারপাড়ায় ২ জন, পশ্চিম ডাক্তারপাড়ায় ১ জন, রামপুরে ১ জন, কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১ জন ও লেমুয়া ইউনিয়নে ১ জন রয়েছেন।

ছাগলনাইয়ায় নতুন করে শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মটুয়া এলাকায় স্বামী-স্ত্রী, বাঁশপাড়া এলাকায় ২ জন, থানাপাড়া এলাকায় ১ জন, দুর্গাপুর এলাকায় ১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সম্বয়ক ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ জানান, শনিবার ১৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পর্যন্ত ১ হাজার ৫৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ১ হাজার ৪শ’১৮ জনের প্রতিবেদন আসে।

তিনি আরও জানান, জেলায় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিসহ করোনা আক্রান্ত ৫৫ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে ফেনী সদরে ২০ জন, সোনাগাজীতে ৬ জন, ছাগলনাইয়ায় ১৩ জন, দাগনভূইয়ায় ৮ জন, পরশুরামে ৪ জন, ফুলগাজীতে ৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

ফেনীতে চিকিৎসকসহ এখন পর্যন্ত ১৫৪ শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ফেনী সদরের ৫৯ জন, ছাগলনাইয়ায় ২১ জন, দাগভূঞায় ৩৭ জন, সোনাগাজীতে ১৯ জন, ফুলগাজীতে ৫ জন, পরশুরামে ৮ জন ও অন্যান্য আরো ৫ জনের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৫৫ জন সুস্থ ও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।