চাঁদপুরের কচুয়ায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ছেলে মারা যাওয়ার ১০ দিনের মাথায় একই উপসর্গ নিয়ে মারা যান বাবা। এর দুই দিন পর মারা যান মা। ছেলে মারা যাওয়ার পর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ এসেছিল। সোমবার মা–বাবার করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদনও পজিটিভ এসেছে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের একটি গ্রামের ওই তরুণ গত ১৫ মে ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন। কিন্তু তিনি কাউকে বিষয়টি না জানিয়ে বাড়ির অন্যদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করেন। ১৭ মে সকালে নিজ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। তার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠালে চার দিন পর আসা প্রতিবেদনে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ২৮ মে সকালে তার বাবাও করোনার উপসর্গ শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যান। ওই দিন মৃত বাবা ও তার জীবিত মায়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু প্রতিবেদন আসার আগেই ৩০ মে বেলা সাড়ে ১১টায় তার মায়েরও মৃত্যু হয়।
মো. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ জানান, কচুয়ায় এই দুজন ছাড়াও এক পুলিশ সদস্যের করোনা পজিটিভ প্রতিবেদন এসেছে।
জেলার সিভিল সার্জন মো. সাখাওয়াত বলেন, চাঁদপুরে আজ ৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আসে। এর মধ্যে ১৫ জনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২১০ জন।