রাস্তা প্রশস্তকরণে নেই কোনো সরকারি বরাদ্দ তাই ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে স্বেচ্ছায় কোদাল হাতে নিয়ে এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৬ ফিটের কাঁচা রাস্তা ১২ ফিট প্রশস্তকরণ কাজ শুরু করেছে গ্রামবাসী।
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম রিমনের নেতৃত্বে ইউনিয়নের নদীয়াপাড়া গ্রামের রাস্তাটি প্রশস্ত করছেন গ্রামবাসী।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ওই গ্রামের শতাধিক মানুষের সাথে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা প্রশস্তকরণে কাজ করেন ইউপি চেয়ারম্যান।
বুধবার সকালে সরেজমিনে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামের নারী, পুরুষ, কিশোর, বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ কাজ নিরলসভাবে কাজ করছেন। কেউ মাটি কাটছেন, কেউ আবার সেই মাটি মাথায় করে নিয়ে রাস্তায় ফেলছেন। আবার কেউ রাস্তা পাড় মেরামত করছেন।
ডোমার বোড়াগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম রিমন বলেন,‘আমার ইউনিয়নের নদীয়াপাড়া গ্রামের এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই কাঁচা রাস্তার প্রশস্ত ৬ ফিট। ওই রাস্তাটি ১২ ফিট প্রশস্তকরণের জন্য দীর্ঘদিন থেকে দাবি করে আসছে এলাকাবাসী। কিন্তু রাস্তাটি প্রশস্ত করনে ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই।
আমার নেতৃত্বে গ্রামবাসী স্বেচ্ছায় রাস্তাটি প্রশস্তকরণে কাজ শুরু করেছে। ওই কাজে প্রত্যেকটি পরিবারের নারী, পুরুষ সকলেই অংশ গ্রহণ করছেন।’
‘আশা করি আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে পুরো এক কিলোমিটার রাস্তা ৬ ফিট থেকে ১২ফিট প্রসস্তকরণ কাজ শেষ করতে পারবো বলে দাবি করেন ইউপি চেয়ারম্যান।’
সরেজমিনে বুধবার সকালে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামের নারী, পুরুষ, কিশোর, বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ কাজ নিরলসভাবে কাজ করছেন। কেই মাটি কাটছেন, কেউ আবার সেই মাটি মাথায় করে নিয়ে রাস্তায় ফেলছেন। আবার কেউ রাস্তা পাড় মেরামত করছেন।
এ সময় নদীয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, গ্রামে প্রবেশ ও বাইরের একমাত্র ভরসা ওই কাঁচা রাস্তাটি। এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে রাস্তাটি প্রশস্ত ৬ ফিট। ওই রাস্তা দিয়ে গ্রামে শুধুমাত্র বাইসাইকেল-মোটরসাইকেল ও রিকশাভ্যান ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গ্রামে কোনো বাড়িতে আগুন লাগলে দমকল বাহিনীর গাড়ি কিংবা একটি মানুষ গুরুত্বর অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে না গ্রামের এই রাস্তায়।’
অনিল চন্দ্র রায় বলেন, ‘রাস্তাটি প্রসস্তকরণের জন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিমনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, ওই রাস্তার কাজের জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই ইউনিয়ন পরিষদে। পরে তিনি আমাদের সকলকে সাথে নিয়ে এক বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে রাস্তাটি প্রশস্ত করা হবে।
ঈশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘কাল থেকে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমারা গ্রামবাসী স্বেচ্ছায় অংশ নেই রাস্তাটি প্রশস্ত করনে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই কোদাল হাতে নিয়ে আমাদের সাথে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি কেটে এনে রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ করছেন।