কেরানীগঞ্জের পানগাঁও পোর্টের কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তাদের অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে সিএন্ডএফ এজেন্টরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছেন।
সোমবার দুপুরে পোর্ট সংলগ্ন সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তারা এ ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিএন্ডএফ এজেন্ট মো. আবুল হোসেন, হাফিজুর রহমান, বাদল চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম বাদল, গোলাম সারোয়ার, মফিজুর রহমান, এমদাদুল হক, গোলাম মোস্তফা, হুমায়ূন কবির, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
সাংবাদিক সম্মেলনে সিএন্ডএফ এজেন্টরা অভিযোগ করেন, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য পানগাঁও পোর্টে আসার পর কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা এসব খালাসে নানাভাবে তাদের হয়রানি করেন। চাহিদামতো ঘুষ না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে এসব পণ্য খালাসে তারা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন। কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও দিনের পর দিন পণ্য বন্দরে ফেলে রাখে। এতে করে কনটেইনার প্রতি দৈনিক তাদের প্রায় ১০০ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ক্ষতি হচ্ছে।
আমদানি করা পণ্য সময়মতো আমদানিকারকদের কাছে পৌঁছাতে না পারায় সিএন্ডএফ এজেন্টরা আমদানিকারকদের রোষানলে পড়ছেন। এছ্ড়াও সিএন্ডএফ এজেন্টদের সঙ্গে কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা দুর্ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আমদানিকারক জানান, একটি পণ্য আমদানি করার পর বাজারে সেটির যে চাহিদা রয়েছে সময় অতিক্রান্তের সঙ্গে সেই পণ্যের চাহিদা কমে। ফলে পণ্যের দামও কমে যায়। পানগাঁও পোর্টে পণ্য খালাসে অনেক সময় ব্যয় হয়।
সিএন্ডএফ এজেন্টদের এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পানগাঁও পোর্টের কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার আতিকুল ইসলাম বলেন, সিএন্ডএফ এজেন্টের কোন সমস্যা থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করব। কিন্তু তারা এসব অভিযোগ নিয়ে কখনোই আসেনি। ঘুষ দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। সিএন্ডএফ এজেন্টদের অবৈধ সুযোগ সুবিধা না দেয়ায় তারা এসব মনগড়া কথাবার্তা বলছে।