বুড়িমারী স্থলবন্দর

চালুর ৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার বন্ধ ঘোষণা

করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় ভারতীয়দের দাবির মুখে চালুর কয়েক ঘণ্টা পর বন্ধ হয়ে গেছে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি। সকালে চালু হলেও গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় আবারও বন্ধ হয়ে যায় কার্যক্রম। চালুর ৬ ঘণ্টায় ভারত থেকে পাথবোঝাই ৬৫ ট্রাক  দেশে প্রবেশ করেছে। আর বাংলাদেশ থেকে ২০টি পণ্যবোঝাই ট্রাক ভারতে প্রবেশ করে।

এর আগে দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু করা হলে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে বুড়িমারী ও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে। আমদানি-রপ্তানি শুরু হলে ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় স্থানীয়রা করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। তারা বন্দর সড়ক দুই ঘণ্টারও বেশি সময় অবরোধ করে রাখলে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়।

বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমীন বাবুল জানান, করোনা সংক্রমণরোধে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ সিদ্ধান্তে বুড়িমারী স্থলবন্দরের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এতে আড়াই মাস বন্ধ থাকে ত্রিদেশীয় বাণিজ্যকেন্দ্র কার্যক্রম। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের যৌথ সিদ্ধান্তে বুধবার সকালে বন্দর চালু হলে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভারতীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে আবারও বুড়িমারী স্থলবন্দর বন্ধ হয়ে যায়।

অবশেষে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া চিঠিতে বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, ভারতীয় চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চিঠির কারণে চালুর ৬ ঘণ্টা পরে বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।