পুলিশের লাঠিচার্জ

দিনাজপুরে দুই নেতা গ্রেপ্তার থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়া খুনের মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমাম আবু জাফর রজবকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি মামলার আসামি দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সুজনকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে শহরের বাহাদুর বাজার এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইমাম আবু জাফর রজবের মালিকানাধীন আবাসিক হোটেল আফিয়া ইন্টারন্যাশনাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশের একটি দল শহরের সুইহারী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে সাব্বির আহমেদ সুজনকে গ্রেপ্তার করে।

আটকের পরপরই কোতোয়ালি থানায় দুই আসামিকে নিয়ে আসা হলে থানা ঘেরাও করে দুই নেতার সমর্থকরা তাদের মুক্তির দাবিতে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে সবাইকে থানার সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় শহরজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। কড়া নিরাপত্তায় বিকেল ৫টার দিকে কোতোয়ালি থানা থেকে ওই দুই নেতাকে জেলা জজ আদালতে পাঠানো হয়। আদালত থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানতে চাইলে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুজন সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ইমাম আবু জাফর রজবের বিরুদ্ধে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়া খুনের একটি মামলা তদন্ত করত সিআইডি। আবু জাফরের বিরুদ্ধে তারা আমাদের রিকুইজিশন দিলে আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করি। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ডাকাতির চেষ্টা মামলা আছে দুটি, বোচাগঞ্জ থানায় একটি খুনের মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। মূলত এসব সুনির্দিষ্ট মামলার ভিত্তিতেই আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি। এছাড়া সাব্বির আহমেদ সুজনের বিরুদ্ধে লিচুবাগানকে কেন্দ্র করে একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলা আছে। এসব মামলার ভিত্তিতেই আমরা আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠায়।