ভালোবেসেই তাকে ‘কালু’ বলে ডাকতেন, হেয় করার জন্য নয়। আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সাবেক এক সতীর্থ ড্যারেন স্যামির সঙ্গে যোগাযোগ করে এমনটাই জানিয়েছেন।
স্যামি যা মেনেও নিয়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেই বিষয়টি প্রকাশ করেছেন। যদিও সেই সতীর্থের নাম জানাননি ক্যারিবিয়ান তারকা।
ক’দিন আগেই আইপিএলে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলেন স্যামি। এরপর এক ভিডিও বার্তায় বলেন, যেসব সতীর্থরা তাকে এই নামে ডাকতেন তারা যেন যোগাযোগ করেন। ‘কালু’ নামের অন্য কোনো মানে আছে এটা বলার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি। সেই সাথে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানান।
এ অবস্থায় এক সতীর্থ স্যামির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার করা এক টুইটে স্যামি জানিয়েছেন সেটিই।
স্যামি লেখেন, ‘এটা জানাতে পেরে ভালো লাগছে যে, একজনের সঙ্গে সত্যিই চমৎকার কথাবার্তা হল। নেতিবাচক দিক নিয়ে পড়ে না থেকে আমরা যথাযথ শিক্ষা নেওয়ার দিকেই তাকাতে চাই। আমার ভাই আমাকে জানিয়েছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসা থেকেই এমনটা করত এবং আমি ওকে বিশ্বাস করি।’
যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড পুলিশি নির্যাতনে মারা যাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। ক্রিকেটেও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন স্যামি, ক্রিস গেইলরা।
স্যামি দাবি করেন, আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলার সময় বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তাকে ও শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরাকে অনেকেই ‘কালু’ ডাকতেন বলে জানান তিনি। পরে ইশান্ত শর্মার পুরোনো একটি ইন্সটাগ্রাম পোস্ট থেকে সেটির প্রমাণও মেলে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবশ্য স্যামিকে অনেকেই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ভারতে ‘কালু’ বর্ণবিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে ব্যবহার করা হয় না। বড়রা বা বন্ধুরা অনেক সময় ভালোবেসে ‘কালু’ নামে ডাকেন অনেককেই।