প্লাস্টিক সার্জারির কথা বলেননি। বলেননি আসল বয়স। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প বিয়ের আগে এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করেন বলে নতুন একটি বইয়ে দাবি করেছেন ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক ম্যারি জর্ডান।
সামনের সপ্তাহে বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে বইয়ের কিছু চৌম্বক অংশ নিয়ে পোস্টে লিখেছেন জর্ডান।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে যেতে বেশ সময় নিয়েছিলেন। কেন তিনি দেরি করে হোয়াইট হাউজে যান, সেটিও বইয়ে লিখেছেন জর্ডান।
তার দাবি, বিয়ের আগে ট্রাম্পের সঙ্গে মেলানিয়ার যে চুক্তি হয়েছিল সেটি পাকাপাকি না হওয়া পর্যন্ত তিনি হোয়াইট হাউজে যেতে চাননি।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের উদ্ধৃতি দিয়ে জর্ডান লিখেছেন, মেলানিয়া তার সংসারের একমাত্র সন্তান ব্যারনের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বিবাহ-পূর্ববর্তী অর্থনৈতিক চুক্তি শেষ করার তাগিদ দেন।
‘দ্য আর্ট অব হার ডিল: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব মেলানিয়া ট্রাম্প’ শিরোনামে এই বইয়ে শতাধিক মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে বিব্রত হন মেলানিয়া। এই ধাক্কা সামলাতে সময় নেন তিনি।
এরপর ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে চুক্তিতে জোর দেন। ব্যারনকে ট্রাম্পের পারিবারিক ব্যবসা থেকে বাদ দেয়া হবে না, এই নিশ্চয়তা পেয়ে তবেই তিনি হোয়াইট হাউজে যান বলে বইয়ে দাবি করেছেন জর্ডান।
আমেরিকার আলোচিত-সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মোট তিন বিয়ে-ইভানা ট্রাম্প, মারলা ম্যাপেলস এবং মেলানিয়া ট্রাম্প (বর্তমান স্ত্রী)। ইভানার সংসারে তার তিন সন্তান।
মেলানিয়ার একজন মুখপাত্র অবশ্য এই দাবি অস্বীকার করেছেন। বইটিকে ‘কথাসাহিত্যের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।