টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী নিউজিল্যান্ড

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান আর্ল এডিংস মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে যা বললেন, তাতে তাদের দেশে টি-২০ বিশ্বকাপের সম্ভাবনা ক্ষীণই বলা যায়। তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে যদিও বিশ্বকাপ এখনো বাতিল হয়নি বা পিছিয়ে যায়নি, কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ১৬টি দলকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসা, বেশির ভাগ দেশেই যেখানে কভিড এখনো বাড়ছে, আমার মতে, এই বিশ্বকাপ আয়োজন অবাস্তব, কিংবা খুব, খুব কঠিন হবে।’

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত দু’দফা পিছিয়ে জুলাই মাসে নিয়েছে। আগামী মাসেই জানা যাবে অক্টোবর নভেম্বরে এবারে আসর আদৌ হবে কি না। এর মধ্যে নতুন আয়োজক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের নাম এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার পাশের দেশটি সম্প্রতি নিজেদের করোনাভাইরাস মুক্ত প্রথম দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাই সংকট না থাকায় টি-২০ বিশ্বকাপটা তাদের দেশে আয়োজনে আগ্রহী কিউইরা। তবে সিদ্ধান্তটা নিউজিল্যান্ড নিজে নিতে চাইছে না। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী গ্রান্ট রবার্টসন জানিয়েছেন, ‘আমরা প্রস্তুত আছি কিন্তু সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণ আইসিসির।’

রবার্টসন বলেন, ‘বছরের শুরুতে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছে অস্ট্রেলিয়া। আমরা জানি সবাই অস্ট্রেলিয়াকেই আসন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে দেখতে চায়। তবে যদি আইসিসি চায় আমাদের টুর্নামেন্ট হস্তান্তর করতে তাহলে আমরা সাদরে তাদের আমন্ত্রণ জানাব। এখন পর্যন্ত আমরা সামনের বছর আমাদের দেশে হওয়ার অপেক্ষায় থাকা নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা করছি। আইসিসি চাইলে এ বছর পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

গত ৮ জুন নিউজিল্যান্ড সরকার জানায়, দেশটিতে এতদিন ধরে যে লকডাউন চলছিল তা তুলে দেওয়া হবে শিগগিরই। নিউজিল্যান্ডে শেষ করোনা রোগী ধরা পড়ে গত ২২ মে। এরপর আর কোনো রোগীর খবর পাওয়া যায়নি। তাই করোনা-পরবর্তী প্রথম দেশ হিসেবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড।