আনোয়ারায় বৃষ্টি হলেই সড়কে হাঁটু পানি, জনদুর্ভোগ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে যায়। মাত্র ১২০ মিটার ড্রেনের জন্য এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সামান্য উদ্যোগ এলাকার হাজারো মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারে।

জানা গেছে, উপজেলার জুঁইদন্ডী ঈশ^র বাবুর ঘাট থেকে বন্দর কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত মোহছেন আউলিয়া সড়কটি জেলা-উপজেলা সদরে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম।

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত বাস,ট্রাক, কার, মাইক্রো, অটোরিকশাসহ নানা ধরনের গাড়ি চলাচল করে থাকে। দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) এ সড়কটির সংস্কার হয়নি দীর্ঘদিন।

সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তাটির কবিরের দোকান থেকে ছয়পীর আউলিয়ার মাজার পর্যন্ত ১২০ মিটার অংশে প্রতিনিয়ত পানি জমে থাকে।

রাস্তার দুইপাশে ব্যক্তি মালিকানায় বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। রাস্তার পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য পানিতে তলিয়ে যায় সড়ক। কাদা পানিতে ডুবে থাকা সড়কটি দেখে মনে হয় যেন মরা খাল। পানি জমে বিভিন্ন স্থানে খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে গর্ত। এতে অসাবধানতায় গর্তে পড়ে ঘটছে দুঘর্টনা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, কবিরের দোকান এলাকার পূর্ব অংশে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। যেন দেখার কেউ নেই। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা আরও বাড়ছে।

অটোরিকশা চালক আইয়ুব আলী জানান, সড়কের এই জায়গায় পানি জমে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ঝুঁকি নিয়ে হেলেদুলে পথ চলতে হয়। অনেক সময় পানির ছিটকে পড়ে পথচারীর কাপড় নষ্ট হয়। এতে আমাদের গালমন্দ শুনতে হয়।

স্থানীয় বারশত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ্ বলেন, সওজ বিভাগের এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামত হয়নি। তাছাড়া পানি নিষ্কাশনে কোনো ব্যবস্থাও নেই। এ কারণে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কার্য-সহকারী বলদেব চাকমা বলেন, সড়কের ওই অংশে ব্যক্তি মালিকানায় বাড়িঘর নির্মাণের সময় পানি নিষ্কাশনের জন্য নালার জায়গা রাখেনি। তাছাড়া বাড়িঘরের চেয়ে রাস্তা নিচু হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। শিগগির ওই স্থানে ইট-বালি দিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘবের চেষ্টা করা হবে।