নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নে রেডজোন ঘোষিত লকডাউন এলাকায় দায়িত্বরত সেচ্ছাসেবকদলের কার্ডধারী দুই সদস্যকে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ দিকে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ইছাপুড়া বাজার এলাকা থেকে ৩০ লিটার চোলাই মদসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, স্থানীয় ২ নং ওয়ার্ডের হোসেনের ছেলে জয়নাল ও একই এলাকার নজরুলের ছেলে নাদিম।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার দেশ রূপান্তরকে জানান, গত ১২ জুন থেকে করোনা ভাইরাসের রেডজোন বিবেচনা করে রূপগঞ্জ ইউনিয়নকে লকডাউন করা হয়। লকডাউন কঠোরভাবে কার্যকর করতে প্রশাসন তৎপরভাবে প্রতিটি এলাকায় নিয়মিত টহল দিয়ে যাচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে প্রতিদিনের মতো রাতেও গাড়ি নিয়ে টহলে বের হন। রাত ৯ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইছাপুড়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা সড়কে চলাচল করতে দেখলে তিনি সেটির গতিরোধ করেন।
তিনি আরও জানান, এ সময় গাড়ি দেখে ওই অটোরিক্সায় থাকা ৪ জনের মধ্যে দুইজন পালিয়ে যায়। পরে অটোরিক্সাটিতে তল্লাশী চালিয়ে সেচ্ছাসেবক জয়নাল ও নাদিম নামে দুজনকে ৩০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তা করা হয়। দুইজন রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে লকডাউনে দায়িত্বরত সেচ্ছাসেবক টীমের কার্ডধারী সদস্য। পরে তাদের রূপগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ভূঁইয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, তাদের সেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তারা ইউনিয়ন পরিষদে সেচ্ছাসেবক কার্ড নিতে আসলে আমি তাদের মানা করে দেই। আসল সেচ্ছাসেবক কার্ডের সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত কার্ডের কোন মিল নেই। তারা নকল সেচ্ছাসেবক কার্ড বানিয়ে নিজেদের সেচ্ছাসেবক পরিচয় দিয়েছে।