করোনা রোগির চাপ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সিলেটে নতুন আরেকটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে।
সিলেট শহরতলীর খাদিমপাড়াস্থ ৩১ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে স্থাপিত এই আইসোলেশন সেন্টার শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপি। এ
সময় তিনি বলেন, সিলেটে করোনা রোগির চিকিৎসা নিয়ে যাতে কোন সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক রয়েছেন।
সংক্রমণের শুরু থেকেই নগরীর সরকারি শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনা রোগিদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে আরও ২টি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। এখন আরও একটি সরকারি হাসপাতাল যুক্ত হলো।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিশ্চয়ই আমরা করোনা থেকে মুক্ত হব। তিনি খাদিমপাড়াস্থ হাসপাতালটিকে করোনা আইসোলেশন সেন্টারে রূপান্তরে সহযোগিতা করায় সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান। এই হাসপাতালে রোগিরা কোন খরচ ছাড়াই চিকিৎসা পাবেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও করোনা চিকিৎসার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া, সহকারি পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, খাদিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আফসর আহমদ প্রমুখ।
নতুন চালুকৃত এই করোনা আইসোলেশন সেন্টারে সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন। এ ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের মহাসচিব কর্ণেল (অব.) আবদুস সালাম (বীরপ্রতীক) জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজনদের সেবা দিতে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্রের টেম্পল ইউনিভার্সিটির মেডিসিন ও নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. জিয়া উদ্দিন আহমদের তত্ত্বাবধানে দেশ-বিদেশের চিকিৎসকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ প্রদান করবেন। ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি তহবিলও গঠন করেছে কিডনি ফাউন্ডেশন।