স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ সৌরভ-কোহলির বিরুদ্ধে

গত মৌসুমে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের পরামর্শক ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তখনো তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হননি। কিন্তু বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরেও একই ভূমিকায় থাকায় স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সৌরভ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।

বিরক্তি প্রকাশ করে সৌরভ বলেছেন, ‘এটা কীভাবে স্বার্থের সংঘাত হয়! আমি জেএসডব্লুর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নই। এই জেএসডব্লুই দিল্লি ক্যাপিটালসের অংশীদার। ওই সিমেন্ট কোম্পানি দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পনসরও নয়। এখানে স্বার্থ সংঘাতের কিছু নেই। এটা অযথা একটা সমস্যা তৈরি করা।’

কিন্তু অভিযোগটা উঠছে অন্য কারণে। এই জেএসডব্লু নামের প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পার্থ জিন্দাল নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। আইপিএলের সময় এই পার্থ জিন্দালকে দিল্লির ডাগআউটেও দেখা যায়। জিন্দাল আবার সৌরভের সেই সিমেন্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সৌরভ অবশ্য গত অক্টোবরেই দিল্লি ক্যাপিটালসের পরামর্শক পদ ছেড়ে দিয়েছেন।

এদিকে, স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে উঠেছে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিরুদ্ধেও। এই অভিযোগ তুলেছেন মধ্য প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। বিসিসিআই-এর নৈতিকতা বিষয়ক কর্মকর্তা ডিকে জৈন, বোর্ড প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলি ও প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরির উদ্দেশে এক মেইলে কোহলির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন সঞ্জীব। কোহলি একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত বিরাট কোহলি স্পোর্টসের পরিচালক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান কর্নারস্টোন স্পোর্টসের পরিচালক পদে আছেন। বিসিসিআইয়ের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এক ব্যক্তি দুটি পদ দখল করে রাখতে পারেন না। এই সঞ্জীব গুপ্তা এর আগে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন শচিন টেন্ডুলকার, ভিভিএস লক্ষ্মণ, রাহুল দ্রাবিড়ের মতো সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে। তবে তদন্ত করে এই সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।