করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লোকমান হোসেন-এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টার সময় ঢাকায় শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। লোকমান হোসেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও রেড ক্রিসেন্ড সোসাইটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি স্ত্রী, চার পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।
শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের জেলা পরিষদ চত্বরে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় জানাযা শেষে মরহুমের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মহিউদ্দিন মৃধার ডাঙ্গীর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেনের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন, ফরিদপুর হাই স্কুল, রেড ক্রিসেন্ট, সাহিত্য সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থা প্রমুখ।
এর আগে জানাযায় অংশ নেন, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর জব্বার ফকির, পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান, পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মো. আব্দুর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মরিুজ্জামান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, অধ্যাপক এম এম সামাদ, অধ্যাপক ডা. আসম জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটো, জেলা পরিষদের সদস্য বৃন্দসহ কর্মকর্তা কর্মচারী।
মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানস মো. লোকমান হোসেন মৃধার মৃত্যুতে ফরিদপুর -২ আসনের এমপি ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর সদর আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-১ আসনের এমপি মনজুর হোসেন বুলবুল, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী গভীর শোক জানিয়েছেন।
তারা বলেন, তার মৃত্যুতে ফরিদপুর আওয়ামী লীগ এক অভিভাবক হারালো, এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।