চলতি বছরে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে ২৫ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় মানবাধিকার সংগঠন অধিকার।
প্রতিবেদনটির প্রতিক্রিয়ায় শনিবার ভারতীয় কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় অপরাধচক্রগুলোর মধ্যে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সাম্প্রতিক হত্যা বাড়িয়ে তুলেছে। দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীকেই অপরাধচক্রগুলো লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
ভারতের একজন কর্মকর্তা দেশটির শীর্ষ সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক সীমানায় ভারত ও বাংলাদেশের বাহিনী সহযোগিতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে। এর ফলে চাপে থাকা অপরাধ চক্রগুলো ভারতের মাটিতে ভারতীয় বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। এতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে সীমান্তে হতাহতের ঘটনা বেড়ে গেছে।
তিনি জানান, সীমান্তের অপরাধপ্রবণ অংশগুলোতে দুই পক্ষই বেড়া দেয়ার কাজ করছে।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের আগে সীমান্তে নিয়মিত হতাহতের ঘটনা ছিল সেসময়ের অন্যতম বড় সমস্যা। চোরাকারবারীসহ স্থানীয় অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানের ফলে এসব হতাহতের ঘটনা বেড়ে যায়। সেসময় বিএসএফের গুলিতে কিশোরী ফেলানি খাতুনের হত্যাকাণ্ড তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি করেছিল।
সম্প্রতি অধিকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রতিষ্ঠিত ঘটনা। গত ছয় মাসে অন্তত ৪৫ জনের মতো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হয়েছেন। যার মধ্যে তিনজনকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে এক কিশোরকে গুলি করে হত্যার জন্য বিএসএফকে দায়ী করে মানবাধিকার সংগঠনটি।