অনেক সময়ই এলবিডব্লিউ’র ডিআরএস সিদ্ধান্ত নিয়ে হতাশ হতে দেখা যায় ফিল্ডিং দলকে। টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট, বল স্ট্যাম্পে লাগছে। তবুও মাঠের আম্পায়ারের নটআউট সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে। আসলে এখানে আইসিসির নিয়ম বলছে বলের ৫০ ভাগের কম অংশ যদি স্ট্যাম্প বরাবর ব্যাটসম্যানের প্যাডে আঘাত করে তবে তিনি নটআউট। মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই টিকে যাবে। কিন্তু ভারতের কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকার এই নিয়ম মানতে পারছেন না। তার মতে প্রযুক্তির সাহায্য যখন নিতেই হচ্ছে তখন প্রযুক্তির জবাবটাই মেনে নেওয়া হোক। তার মানে বল স্ট্যাম্পে লাগছে এমনটা প্রমাণিত হলেই আউট। কত ভাগ বল লাগছে বা না লাগছে সেটা দেখার দরকার নেই। মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকার নিয়মটা বাদ দেওয়ার পরামর্শ তার।
সমসাময়িক আরেক কিংবদন্তি এবং বন্ধু ব্রায়ান লারার সঙ্গে এক ভিডিও আলাপে এই পরামর্শ রেখেছেন শচিন। বলেছেন, ‘কতভাগ বল স্ট্যাম্পে আঘাত হানছে তা গুরুত্বপূর্ণ না। যদি রিপ্লেতে দেখা যায় যে বল স্ট্যাম্পেই লাগত, তাতেই আউট দেওয়া উচিত। আমরা প্রযুক্তি এজন্যই ব্যবহার করছি যেন বল স্ট্যাম্পে লাগছে কি না তা দেখতে পারি। তাহলে স্ট্যাম্পে লাগছে তা জানতে পেরেও আউট দিচ্ছি না কেন। আমরা জানি প্রযুক্তি শতভাগ সঠিক নাও হতে পারে, তাহলে মানুষও তো শতভাগ সঠিক না। তাহলে আবারও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকেই কেন রাখা হচ্ছে।’
এক্ষেত্রে টেনিসের রিপ্লে সিস্টেমের উদাহরণ টেনেছেন শচিন। টেনিসে বল কোর্টের ভেতরে না বাইরে পড়েছে তা দেখার জন্য অনেক সময় রিপ্লে দেখা হয়। বল লাইন টাচ বলেই তা কোর্টের ভেতরে ধরে নেওয়া হয়। সেই উদাহরণ টেনে শচিন বলেন, ‘কারও মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ভালো না লাগলেই তো প্রযুক্তির সাহায্য নেন। তাহলে প্রযুক্তির ওপরই ব্যাপারটি ছেড়ে দেওয়া হোক। টেনিসে যেমন, বল ভেতরে পড়েছে না বাইরে তা দেখার জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। ক্রিকেটেও এমন হওয়া উচিত।’