‘গোপনেও’ টিকার ট্রায়াল দিয়েছিল চীনা কোম্পানি!

হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য সরকারি অনুমতি পাওয়ার আগেই নিজেদের কর্মকর্তাদের শরীরে নভেল করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালিয়েছিল চীনের সিনোফার্ম কোম্পানি। এতদিন বাদে এটি জানা গেল।

সংবাদ সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, কোম্পানিটির কয়েক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ৩০ জনের শরীরে ভ্যাকসিনটি  দেয়া হয়।

এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য আইনের চোখে অপরাধ বলে বিবেচিত হতে পারে। কোনো টিকার হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করতে হলে প্রাণীর শরীরে নিরাপদ, এমন প্রমাণ আগে সরকারকে দেখাতে হয়। বিভিন্ন দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে আলোচনা করে তারপর দেয়া হয় মানুষের শরীরে প্রয়োগের অনুমতি।

সিনোফার্ম বিষয়টিকে অবশ্য গর্বের বলতে চাইছে। তাদের দাবি, এটি মানবিকতার উদাহরণ।

কাউকে কিছু না জানিয়ে এভাবে টিকা প্রয়োগের খবরে চীন সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। দেশটির রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাকসিন এখন দ্বিতীয় ধাপের পর্যায়ে রয়েছে।

কোনো প্রতিষেধক না থাকা কভিড-১৯ রোগের টিকা কিংবা ওষুধ বের করতে চীনের পাশাপাশি আমেরিকা এবং ব্রিটেনের মতো দেশ উঠেপড়ে লেগেছে। তিনটি দেশই বলছে, অক্টোবরের ভেতরে অন্তত যেকোনো কোম্পানির একটি ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।

চীনে অবশ্য এখনই টিকার ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিশেষ অনুমোদনের পর দেশটির সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কিছু সরকারি কর্মকর্তা তিয়ানজিন-ভিত্তিক ক্যানসিনো বায়োলজিক্সের করোনা প্রতিরোধী সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি ব্যবহার করছেন। এই ভ্যাকসিনটি তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের শেষদিকে আছে।