চীনা সেনাবাহিনীর ‘বিশেষ অনুমোদন’ পেল ভ্যাকসিন

আপডেট : ২৯ জুন ২০২০, ০৯:৫৭ এএম

তিয়ানজিন-ভিত্তিক ক্যানসিনো বায়োলজিক্সের করোনা প্রতিরোধী সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি (Ad5-nCoV) এক বছরের জন্য  চীনের সেনাবাহিনী থেকে ‘বিশেষ অনুমোদন’ পেয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত ইংরেজি দৈনিক গ্লোবাল টাইমস।

ক্যানসিনো বায়োলজিক্সের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার কোম্পানিটি এই ঘোষণা দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনটি শুধু সামরিকভাবে ব্যবহারে সীমাবদ্ধ থাকবে। সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের হেলথ ব্যুরো অব দ্য লজিস্টিক সাপোর্ট ডিপার্টমেন্টের ছাড়পত্র পেলে বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার শুরু হবে।

গত ডিসেম্বরে নভেল করোনাভাইরাস চীনে ছড়িয়ে পড়লে দেশটির সেনাবাহিনীর গবেষক দল ভ্যাকসিন তৈরিতে মাঠে নামে। পরে তারা ক্যানসিনোর সঙ্গে চুক্তি করে।  হিউম্যান ট্রায়ালের অনুমতি আসে ১৮ মার্চ।

ক্যানসিনোর দাবি, প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়ালে তাদের ভ্যাকসিন সফল হয়েছে। ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী মানুষদের শরীরে এটি করোনা প্রতিরোধী উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবডি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

প্রথম দুই ধাপের ডেটা বিশ্লেষণ করেই ভ্যাকসিনটির সামরিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের বিষয়ে কোম্পানিটি এখনো কিছু জানায়নি।

চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ থেকে হিউম্যান ট্রায়ালে আছে দুটি ভ্যাকসিন। ইতিমধ্যে একটি প্রথম দুই ধাপের সফলতা নিয়ে তৃতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। চূড়ান্ত এই ধাপের ট্রায়াল শুরু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এই ভ্যাকসিনটি ইতিমধ্যে চীনের সরকারি কর্মকর্তাদের দেয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মকর্তাদের এখনই ‘ভ্যাকসিন দিচ্ছে’ চীন!

ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে সাধারণত তিনটি ধাপ অনুসরণ করা হয়।  প্রথম ধাপের চেয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ধাপ বেশি চ্যালেঞ্জিং। এই দুই ধাপে একসঙ্গে অনেক মানুষকে যুক্ত করা হয়। চূড়ান্ত ঝুঁকি এখানেই বোঝা যায়।

চীন বলছে চলতি বছরের শেষ দিকে অথবা সামনের বছরের শুরুতে তাদের যেকোনো একটি ভ্যাকসিন বাজারজাত করা হবে। ইতিমধ্যে দেশটির কর্মকর্তারা কথা দিয়েছেন প্রথম যে দেশগুলো ভ্যাকসিন পাবে,  বাংলাদেশ তার মধ্যে থাকবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত