নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ড্রেজার পুড়িয়ে পানিতে ডুবিয়ে দিয়েছে গ্রামবাসী।
শনিবার ভোরে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চর লক্ষিপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কুমিল্লার মেঘনা থানার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ. লতিফ ওরফে লতু দীর্ঘদিন ধরে আড়াইহাজারের মেঘনা নদীর সিমানা চর লক্ষিপুরা এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। বালু উত্তোলনের ফলে আড়াইহাজার উপজেলার ডেঙ্গুরকান্দী, চরলক্ষিপুরা, মধ্যারচর, কমলাপুর, ঝাউকান্দী, ইজারাকান্দী, গবিন্দপুর, তাতুয়াকান্দা, নয়নাবাদ, নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু অংশ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
দশ গ্রামের মানুষ একাধিকবার লতিফ চেয়ারম্যানকে বালু উত্তোলনে বাধা প্রদান করলেও বাধা উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখে। ফলে গ্রামগুলো নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ার আশংকায় শনিবার ভোরে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে ট্রলার যোগে মেঘনা নদীতে গিয়ে দুটি ড্রেজার এবং একটি স্পিডবোর্ড পুড়িয়ে দেয় এবং একটি ড্রেজার মেঘনা নদীতে ডুবিয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে কুমিল্লার মেঘনা থানার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ. লতিফ ওরফে লতু মুঠোফোনে দেশ রূপান্তরকে জানান, তিনি বৈধভাবে মেসার্স নার্গিস ট্রেডার্সের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছেন। শনিবার ভোরে আক্রোশমূলকভাবে কালাপাহাড়িয়ার কিছু লোকজন এসে তার ড্রেজার পুড়িয়ে দেয়।
পাশাপাশি ড্রেজারে থাকা মো. মিঠু (২৫) হোসেন আলী (২০) আনার হোসেন (৩০) ও আবদুল আজিজ (২৬) নামে ৪ শ্রমিককে পিটিয়ে আহত করে। বাবুল এবং মঞ্জুর নামে দুই শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) মো. শওকত আলী দেশ রূপান্তরকে জানান, আমরা এ ব্যাপারে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।