সিলগালা করা পানির তিন কারখানা আবার চালু

কেরানীগঞ্জের আগানগর ইউনিয়নের পূর্ব ঈমামবাড়ি গ্রামে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিযান পরিচালনা করে তিনটি অবৈধ পানির কারখানা সিলগালা করে দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই আবারও চালু করা হয়েছে অবৈধ সেই পানির কারখানাগুলো।

পূর্ব ঈমামবাড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতোই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই কারখানাগুলোতে মোটরের সাহায্যে পানি তুলে ফিল্টারিং ছাড়াই সরাসরি  বোতলজাত করা হচ্ছে। কোনো কারখানাতেই পানি ফিল্টার করার স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র এখনো বসানো হয়নি। প্রতিটি কারখানার পরিবেশ আগের মতোই অস্বাস্থ্যকর।

কারখানাগুলো সিলগালা করার সময় পানি ও বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হলেও রহস্যজনকভাবে আবারও চালু করা হয়েছে তা। কারখানা তিনটি আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই অবস্থিত হলেও কোনো নজরদারি নেই পরিষদের।

এ ব্যাপারে আগানগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর শাহ খুশির সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, পানির কারখানা খুলেছে কি না তা আমারা জানা নেই।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, আবার যে পানির কারখানাগুলো চলছে সেটা আমার জানা নেই। বিষয়টি দেখছি।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অবৈধ পানির কারখানা থেকে দুই কর্মচারীকে  গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন মো. মনির (৪৩) ও আনোয়ার হোসেন (৩৮)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মনির হোসেনকে সাত ও আনোয়ার  হোসেনকে ১৫ দিনের জেল দেওয়া হয়।