পার্বতীপুর রেল স্টেশনে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি

বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশন। রেলওয়ের পশ্চিম জোনের বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ এ রেল জংশনটি প্রায় দেড় শতাব্দীর পুরনো হলেও এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

এক সময় এ স্টেশনের হয়ে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকালসহ ৫৬টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করত। বর্তমানে আন্তঃনগর ট্রেনসহ প্রতিদিন ৪১টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করছে। এখান থেকে ট্রেনে প্রতিদিন গড়ে ২-৩ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ১৮৮৪ সালে চালু হয় এ স্টেশনটি। অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে আসামের গুয়াহাটি পর্যন্ত মেইল ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করত এ স্টেশন হয়ে। এ রেল জংশন থেকে এখনো কাঞ্চন ও বিরল স্টেশন হয়ে ভারতের রাধিকাপুর ও কাটিহার পর্যন্ত মালবাহী ট্রেন চলাচল করে।

পার্বতীপুর পৌর সভার সাবেক চেয়ারম্যান এমএ ওহাব সরকার বলেন, এই রেলষ্টেশনটি বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে এটি আজও বঞ্চিত। স্টেশনে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ২,৩, ৪ ও ৫নম্বর প্লাটফর্মে কোনো শৌচাগার নেই। বিশ্রামাগার সব সময় থাকে তালাবদ্ধ। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় স্টেশনটিতে আবর্জনার স্তূপ জমে।

এদিকে স্টেশনের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, বখাটে, মাদকাসক্ত, ছিনতাইকারী ও ছিঁচকে চোরের উপদ্রবে যাত্রী সাধারণ অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হন।

পার্বতীপুর রেল স্টেশন মাস্টার জিয়াউল আহসান বলেন, সব সময় বিশ্রামাগার খোলা রাখা সম্ভব নয়। ছিঁচকে চোরের উপদ্রবের বিষয়ে জিআরপি থানায় জানানো হয়েছে।