বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলে বেড়েই চলছে সুনামগঞ্জের নদনদী ও হাওরের পানি। সুরমাও যাদুকাটা নদীসহ হাওরের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে।
পানি বাড়ছে নিম্নাঞ্চলের উপজেলাগুলোতেও। এছাড়া গেল সপ্তাহের বন্যায় পানিবন্দি বাড়িঘরের পানি না নামতেই ৩য় দফায় আবারও পানি বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে লাখো মানুষ।
জেলার ৫ উপজেলায় বানের পানিতে এখনো কয়েক লক্ষাধিক পানিবন্দি মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঘরবাড়ি থেকে পানি না নামায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এখনো বাড়িঘরে ফিরতে পারনেনি মানুষজন।
প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এছাড়া নদীর পানি বেড়ে পৌর শহরের কাজির পয়েন্ট, বড়পাড়া, তেঘরিয়া, ষোলঘর নবীনগন, নতুনপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করেছে পানি।
পানি বোর্ডের তথ্যমতে বুধবার দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৪ মিলিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল অব্যহত থাকায় বাড়ছে নদীও হাওরের পানি। এদিকে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতি এখনও বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জ-বিশ^ম্ভরপুর-তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ- দোয়ারবাজার আঞ্চলিক সড়কে সরাসরি যান চলাচল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, গত দুদনি ধরে বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং ভারতে চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদীর পানি। বৃষ্টিপাত আগামী দুদিন অব্যহত থাকবে ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।