প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টায় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ‘ঢাকা ওআইসি যুব রাজধানী-২০২০’ আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত থাকবেন ওআইসি’র মহাসচিব ইউসুফ বিন আহমেদ আল ওথাইমিন, কাতারের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী সালেহ বিন গানেম আল আলী, আজারবাইজানের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আজাদ রহিমভ, আইসিওয়াইএফ এর প্রেসিডেন্ট তাহা আইয়ান ও অন্যান্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিত গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি, যু্ব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এম পি ও যুব ও ক্রীড়া সচিব জনাব মো. আখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও ইসলামিক কো-অপরারেশন ইয়্যুথ ফোরামের প্রেসিডেন্ট তাহা আইয়ান ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এ বছর ওআইসি যুব রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে আন্তর্জাতিক এ স্বীকৃতি জাতি হিসেবে আমাদের গর্বিত করে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামী ২৭ জুলাই বছরব্যাপী বিস্তৃত ‘ওআইসি যুব রাজধানী ২০২০’ এর নানা আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বের ৭৫ টি দেশের প্রায় বারো শতাধিক তরুণ উক্ত আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে অনলাইনে আবেদন করেন। এর মধ্যে আগামী ২৭ ও ২৮ জুলাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ‘রেজিলেন্ট ইয়্যুথ লিডারলিপ সামিট’এ ২৫০জন যুবক অংশগ্রহণ করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বে আমাদের যুবসমাজের অমিত সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। আমরা বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এর সুবিধা ভোগ করছি। আমাদের মেধাবী ও দক্ষ যুব শক্তি রয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ সরকার যে মানবিক সহায়তা করছে সেটিও বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা গত ১২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে ঢাকা ওআইসি যুব রাজধানী ২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করতে বাধ্য হই। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে নতুন আঙ্গিকে এর সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহন করেছি। আমরা আশা করছি, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় মুজিব বর্ষে আমরা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারব।’
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে ওআইসি ইয়্যুথ ক্যাপিটাল অনুষ্ঠানটি এবার ভার্চুয়াল ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি দুই দিন ব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।