সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও চৌহালি উপজেলার এনায়েতপুর থানা থেকে মাত্র সোয়া কিলোমিটার দূরে পুলিশ প্রহরায় স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করে বসানো হয়েছে দু‘টি কোরবানির পশুরহাট। এ হাট দু‘টির একটি হয়েছে চৌহালি উপজেলা ও এনায়েতপুর থানার সোদিয়াচাঁদপুর ইউনিয়নের বেতিল গ্রামের বেতিল বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে। অপরটি বেলকুচি উপজেলার এনায়েতপুর থানার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর বটতলা সড়কের উপর।
এ ছাড়া শুক্রবার এনায়েতপুর থানা সংলগ্ন পশুরহাটেও মানা হয়নি কোন স্বাস্থ্য বিধি। এ সব পশুরহাটে হাজার হাজার মানুষ মাস্ক ছাড়া অবাধে চলাফেরা করেছে। এ সকল হাটে এনায়েতপুর থানা পুলিশের একাধিক এসআই উপস্থিত থাকলেও তাদেরকে নিরব দর্শকের ন্যায় বসে থাকতে দেখা গেছে।
রবিবার আবারও বসছে এনায়েতপুর হাট। মঙ্গলবার বসবে গোপালপুর বটতলা সড়ক ও বেতিল বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠের হাট। মাইকিং করে এ হাট বসানোর খবর এলাকায় প্রচারও করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেতিল বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠের হাটের ইজারাদার আব্দুল মান্নান মোল্লা বলেন, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রসাশকের কাছে থেকে লিখিত অনুমতি নিয়েই হাট বসানো হয়েছে। এ ছাড়া হাটে সম্পূর্ণরূপে স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর বটতলা সড়কে লাগানো হাটের ইজারাদার হাবুল মন্ডল বলেন, ডিসি মহোদয়ের কাছে থেকে আমাদের হাটের অনুমোদন আছে। কিন্তু চৌহালিতে কোন হাটের অনুমোদন নাই। তারা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে হাট লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, গোপালপুর বটতলা হাটের অনুমোদন আছে। আমি নতুন এসেছি। এটা যে সড়কের উপর তা আমার জানা ছিল না। আগামী হাটে যাতে স্বাস্থ্য বিধি মানা হয়, সে ব্যাপারে ইজারাদারকে বলে দেব।
এ বিষয়ে চৌহালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মওদুদ আহম্মেদ বলেন, বেতিল বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠের হাটের অস্থায়ীভাবে অনুমোদন আছে। স্বাস্থ্য বিধি মানার বিষয়ে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু হাটে আগতরা কিছুতেই মানছেন না।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ বলেন, অস্থায়ীভাবে দু‘টি হাটেরই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি যাতে মানা হয় সে বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং ওসিকে বলে দেব।