পায়রা বন্দরকে শিগগিরই দৃশ্যমানে নিয়ে যাব:নৌ-প্রতিমন্ত্রী

নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পায়রা বন্দরের কাজে গতিশীলতা এসেছে। চ্যালেঞ্জ আছে, সেগুলো মোকাবিলা করে শিগগিরই পায়রা বন্দরকে দৃশ্যমান জায়গায় নিয়ে যাব।

রবিবার পায়রা বন্দরের সম্মেলন কক্ষে বন্দর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন।

এরআগে বন্দরের অফিস প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপন করেন। পরে প্রতিমন্ত্রী বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দরে দৃশ্যমান কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এর টেন্ডারও হয়ে গেছে। কয়লাবাহী জাহাজ আসতেছে। ইতোমধ্যে ৭৩টি জাহাজ এই বন্দরে এসেছে যার মধ্যে ৩১টি হলো কয়লাবাহী। এসব জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ১৭৮ কোটি টাকা আয় হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ বলেন, পায়রা বন্দরের জন্য সড়ক অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। মূল টার্মিনালে যাওয়ার পথে রাবনাবাদ নদের ওপর যে সেতু করার দরকার, তার টেন্ডার আগামী এক মাসের মধ্যে হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দর সম্পর্কে অনেকেই নেতিবাচক প্রচারণা দিচ্ছে। আমরা এখনো ড্রেজিং করিনি, কিন্তু তাতেও ১৪ মিটার পর্যন্ত ড্রাফট আছে। আমরা ড্রেজিংয়ের যে চুক্তি করেছি, তা নিয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে স্টাডি হয়ে যাবে। তারপর ড্রেজিং হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্দরকে ঘিরে এখানে একটা বিরাট অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে, যাতে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পায়রা বন্দর হবে এই এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য যা করেছেন, ইতোপূর্বে কোনো নেতা, কোন সরকার প্রধান এমন সামগ্রিক উন্নয়ন করেননি।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর হুমায়ুন কল্লোল, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক প্রমুখ।

উল্লেখ্য, পায়রা বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর কাজ ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে।