সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা কমলেও বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত উনিশ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
কভিড-১৯ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে রবিবার জানানো হয়, এদিন সকাল আটটা পর্যন্ত চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে এত বেশি মৃত্যু হয়নি।
গত ৭ জুলাই চব্বিশ ঘণ্টার হিসেবে আক্রান্তদের মধ্যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর তিন দিন ৫০ বা এর ওপরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হলো।
নতুন ৫৪ জন মৃত্যু নিয়ে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯২৮ জনে।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।
গত একদিনে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৪০ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১০ জন, খুলনা বিভাগের আটজন, রাজশাহী বিভাগের সাতজন, সিলেট বিভাগের ছয়জন, রংপুর বিভাগের তিনজন এবং বরিশাল বিভাগের একজন।
বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১৭ জনের বয়স ৬১-৭০ বছরের মধ্যে, ১৫ জনের বয়স ৫১-৬০ বছরের মধ্যে, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন আটজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে রয়েছেন সাতজন, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে আছেন তিনজন এবং ২১-৩০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন।
সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৭৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২ হাজার ২৭৫ জনের শরীরে। তাতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৫৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৯২ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৮২ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২.৫৭ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৪.৪৪ শতাংশ।