কোরবানীর পশুর চামড়া নদীতে ফেলে বিপাকে ব্যবসায়ী

রাজশাহীতে এবার কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে পানির দরে। ছাগলের চামড়ার সর্বোচ্চ দাম ছিল ২৫ টাকা। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা আগেই সতর্ক থাকলেও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বাজার না বুঝে বাড়তি দামে চামড়া কেনেন। পরে বিভিন্ন জায়গা ঘুরেও কেনা দাম পাননি তারা।

সাখাওয়াত হোসেন নামে রাজশাহীর এক মৌসুমি ব্যবসায়ী ঈদের পরদিন রবিবার একভ্যান ছাগলের চামড়া নগরীর বুলনপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে ফেলে দেন। কিন্তু এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তিনি। নদী দূষণের অভিযোগে সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক সরেজমিন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেন।

তিনি বলেন, ‘সাখাওয়াত মৌসুমি ব্যবসায়ী হওয়ায় চামড়া কেনাবেচা কিংবা সংরক্ষণের অভিজ্ঞতা তার নেই। ছাগলের চামড়া কেনার পর তিনি নাটোর ও রাজশাহী ঘুরে কেনা দামও পাননি। পচন ধরলে এগুলো নদীতে ফেলে দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মনে হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাখাওয়াত নদীতে চামড়া ফেলেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘নদীর যে স্থানে চামড়া ফেলা হয়েছে, সেখান থেকে তিন বোতল পানি সংগ্রহ করে বুধবার পরীক্ষার জন্য বগুড়ার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় দূষণ পাওয়া গেলে সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’