দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ‘সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ’ নামে একটি ভুয়া প্রকল্পে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের নাম নিজাম উদ্দিন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের শুক্রবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রতারণার দায়ে আটক নিজাম উদ্দিনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে, তিনি এখন কোর্ট হাজতে আছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে হাতিয়া নিউ মার্কেট সংলগ্ন হাজি মাইন উদ্দিন ম্যানসন থেকে তাকে আটক করা হয়। নিজাম উদ্দিন হাতিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের মাকছুদুর রহমানের ছেলে। এ ব্যাপারে হাতিয়া থানায় একটি প্রতারণার মামলাও হয়েছে।
জানা গেছে, নিজাম উদ্দিনসহ প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে হাতিয়া উপজেলা সদরে একটি কার্যালয় খুলে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিএমসিসিএলের অর্থায়নে এমএমসি বাস্তবায়নাধীন সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের অধীনে পাঁচটি পদে প্রায় ৬০০ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। পরবর্তীতে আবেদনকারীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে কথিত যোগ্য প্রার্থীদেরকে নিয়োগ প্রদান করে।নিয়োগপত্র গ্রহণের সময় প্রার্থীর কাছ থেকে জামানত হিসাবে ২৫০০ টাকা আদায় করেন।
অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় নিজাম উদ্দিনকে আটক করে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। অভিযানের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, আটককৃত নিজাম উদ্দিন স্থানীয় লোকজনকে নিয়োগ দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।