প্রথমার্ধে ৪-১। দ্বিতীয়ার্ধেও ৪-১। সব মিলিয়ে বায়ার্ন ৮, বার্সেলোনা ২।
অবিশ্বাস্য এই কাণ্ড ঘটেছে শুক্রবার রাতে পর্তুগালের লিসবনের এস্তাদিও দা রুজে। লিওনেল মেসির বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত করে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেছে বায়ার্ন মিউনিখ।
ম্যাচ শুরুর আগে বাজির দর বায়ার্নের পক্ষেই ছিল। কিন্তু বায়ার্ন এমন স্কোরে জিতবে কজন ভাবতে পেরেছিল? বার্সা ৮ গোলে হেরেছিল সেই ৭৪ বছর আগে। দলটির ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে সাক্ষী করে বার্সাকে দুমড়ে মুচড়ে জিতলেন মুলার-লেভানডোস্কিরা।
৪ মিনিটেই শুরু বায়ার্নের গোল উৎসব। বাঁ দিক থেকে পেরিসিচের ক্রস বক্সের ঠিক বাইরে ধরেন মুলার। তার কাছ থেকে লেভানডোস্কির পা ঘুরে আবার মুলারের পায়ে বল। বাঁ পা দিয়ে টের স্টেগেনের ডান পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান জার্মান ফরোয়ার্ড। ৩ মিনিট পর ডেভিড আলবার আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে সমতা ফেরে। জমজমাট এক লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতিই তখন দিচ্ছিল ম্যাচটি। ১০ মিনিটে মেসির ক্রসটি সাইড পোস্টে না লাগলে এগিয়েও যেতে পারত বার্সা। এই সুযোগ মিসের পরই এলেমেলো বার্সেলোনা। বায়ার্নের চাপে একেবারে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের রক্ষণব্যূহ। ২২ থেকে ৩১Ñ এই ৯ মিনিটে ৩ গোল করে ম্যাচটি হাতের মুঠোই তুলে নেয় বায়ার্ন। দ্বিতীয় গোলটি ইভান পেরিসিচের, ২৮ মিনিটে সার্জ নাবরি ৩-১ করার পর ৩১ মিনিটে মুলারের দ্বিতীয় গোলে ৪-১।
৫৭ মিনিটে লুইস সুয়ারেজ একটি গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিলেন। ওই টুকুই যা। ৬৩ মিনিট ৫-২। অবিশ্বাস্য ড্রিবলিংয়ে বার্সার ডিফেন্সকে ছিঁড়েফুঁড়ে ফেলে আলফনসো ডেভিস পাসটা বাড়ালেন জশুয়া কিমিচের দিকে। আরেকটি গোল উপহার দিতে ভুল করলেন না কিমিচ।
৮২ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যে লেভানডোস্কি ও ফিলিপ কুতিনহোর জোড়ায় বায়ার্ন ৮, বার্সা ২।
গত রাতের ম্যানচেস্টার সিটি-লিঁও শেষ কোয়ার্টার ফাইনাল জয়ীর সঙ্গে ১৯ আগস্ট দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলবে জার্মান জায়ান্টরা।