নির্দিষ্ট কোনো স্থান ও পরিকল্পনা না থাকায় কেরানীগঞ্জে যত্রতত্র এখন দেখা মেলে আবর্জনার স্তূপ। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনার স্তূপের কারণে একপ্রকার দিশেহারা কেরানীগঞ্জবাসী।
এমনকি আবর্জনার স্তূপ দেখা গেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর একটি নামফলকের সামনেও।
গত মঙ্গলবার উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আমবাগিচা খেলার মাঠ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাঠের এক পাশে রাস্তায় প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নাম সংবলিত একটি নামফলক রয়েছে। ফলকটি ২০১৯ সালে তৈরি করা হয় আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে একটি রাস্তায় সুয়ারেজ লাইন নির্মাণ ও রাস্তার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের সময়। নামফলকের সামনেই ময়লা আবর্জনার স্তূপ অনেক দিন ধরে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ রাস্তা দিয়ে কোনোমতে পার হচ্ছেন পথচারীরা। আশপাশের বাড়ির বাসিন্দারাও এই ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ।
এ স্থানে ময়লা ফেলা নিয়ে স্থানীয়রা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। অনেকেই বলছেন ময়লা সংগ্রহকারীরা নিয়মিত বাসাবাড়িতে ময়লা সংগ্রহ করতে যায় না, তাই আশপাশের এলাকাবাসী নিরুপায় হয়েই তাদের বাসাবাড়ির ময়লা এখানে ফেলছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, ময়লা সংগ্রহকারীরাই বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহ করে এখানে জমাচ্ছে।
মো. করিম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমবাগিচা মাঠসহ মাঠের চারপাশ ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এ সমস্যাটা দীর্ঘ দিনের। মাঝে মাঝে চেয়ারম্যান, মেম্বাররা ময়লা পরিষ্কারের আশ্বাস দিয়ে যান, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।
এ ব্যাপারে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী রাসেল বলেন, মন্ত্রী সাহেবের নামফলকের সামনে ময়লার স্তূপ আছে কেউ এমন অভিযোগ করেনি।
আগানগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর শাহ খুশি বলেন, ময়লাগুলো আপাতত বর্ষার জন্য এখানে কয়েক দিনের জন্য রাখা হয়েছে। এগুলো সব পরিষ্কার করে ফেলা হবে।