কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সুমাইয়া আক্তার (২০) নামে অনার্স পড়ুয়া ছাত্রী গলায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ষাটকাহন গ্রামে নিহত ছাত্রী নিজ ঘর থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সুমাইয়া উপজেলার ষাটকাহন গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে। তিনি কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে গণিত বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সুমাইয়া রাতে তার রুমে ঘুমাতে যায়। রাতে কোনো এক সময় তিনি খালি ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
সকালে পরিবারের লোকজন সুমাইয়া ঘুম থেকে না উঠাই তার দরজায় ডাক-চিৎকার করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় পরে দরজা ভেঙে সুমাইয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
মৃত সুমাইয়া বাবা শামীম মিয়া দাবি করে বলেন, আমার মেয়ে মরার আগে ফেইসবুকে তার প্রাইভেট শিক্ষক রাসেল মিয়াকে দোষী করে একটি চিরকুট লিখে গেছে।
তবে শিক্ষকের সঙ্গে সুমাইয়ার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে পরিবারের লোকজন ও কলেজের বান্ধবীরা সঠিক তেমন কিছু জানেন না বলে জানান। ফেইসবুকে সুমাইয়ার পোস্ট দেখে শিক্ষককে সন্দেহ করছেন বলে জানান তারা।
পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির সঙ্গে শিক্ষকের প্রেমের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।