রবিবার হাতিয়া থানা-পুলিশ ডুবে যাওয়া উদ্ধারকারী জাহাজ এম ভি পাওয়ার-৩ এর বাবুর্চি আবুল হাসেমের (৫৫) লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে।
শনিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে আসা ডুবুরীরা জাহাজের ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। হাতিয়া থানা-পুলিশ এ খবর নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বুধবার রাতে ভাসানচরের পাশে বঙ্গোপসাগরে উদ্ধারকারী জাহাজ লাবণি পাওয়ার-৩ ডুবে যায়।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি লাইটার জাহাজের ইঞ্জিন ভাসানচরের পাশে বিকল হওয়ায় ওই জাহাজকে উদ্ধার করতে চট্টগ্রাম থেকে ঘটনাস্থলে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ এম ভি পাওয়ার-৩। সাগর উত্তাল থাকায় বুধবার গভীর রাতে উদ্ধারকারী জাহাজটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়। হাতিয়া কোস্টগার্ড সদস্যরা বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহাজের চার নাবিককে জীবিত উদ্ধার করলেও দুই নাবিক নিখোঁজ থাকে।
তখন জাহাজের মালিক আতিক উল্লাহ বাহার জানান, ওই জাহাজের মাস্টার আবুল কালাম (৫৫) ও বাবুর্চি আবুল হাসেম (৫৫) নিখোঁজ রয়েছে। আবুল কালাম চট্টগ্রাম জেলার হাট হাজারি উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের গোলাপুর রহমানের ছেলে ও আবুল হাসেম পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মোল্লাবাড়ি গ্রামের সত্তার উল্লার ছেলে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, নিহত আবুল হাসেমের লাশ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জাহাজের মাস্টার আবুল কালাম এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন।