‘এনকাউন্টার যে দেয়নি সেজন্য কৃতজ্ঞ’

টানা কয়েক মাস বন্দিদশা কাটিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ডা. কাফিল খান। ছাড়া পেয়েই আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে একহাত নিতে ছাড়েননি তিনি।

বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিপক্ষে কথা বলায় জাতীয় নিরাপত্তা আইনে কাফিলকে অভিযুক্ত করা হয়।

তবে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে কাফিল খানের বক্তব্যে কোনো হিংসা বা বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিসন্ধি ছিল না। তাকে আটকে রাখা বেআইনি।

জিনিউজ জানায়, ছাড়া পেয়েই কাফিল ধন্যবাদ জানান বিচার ব্যবস্থাকে। একই সঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ যে, মুম্বাই থেকে মথুরা নিয়ে আসার সময় স্পেশাল টাস্ক ফোর্স আমাকে এনকাউন্টার করেনি বা মেরে ফেলেনি।’

শুধু তাই নয়, নাম না করে একহাত নিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও। রামায়ণে মহর্ষি বাল্মীকি বলেছিলেন, রাজা রাজ ধর্ম পালন করবে, কিন্তু উত্তরপ্রদেশে রাজা শিশুদের মতো আচরণ করছে।

এদিকে আদালতের নির্দেশের পরেও কারা কর্তৃপক্ষ কাফিল খানকে মুক্তি দিতে দেরি করায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আদালতের অবমাননার মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গভীর রাতে মুক্তি দেওয়া হয় কাফিলকে।

ছেলের ছাড়া পাওয়ার কথা শুনে মা নুজহাত পারভিন খুশিতে আত্মহারা। ছেলেকে ফের স্পর্শ করতে পারবেন ভেবেই আনন্দিত তিনি।

নুজহাত পারভিন বলেন, ‘আমার ছেলে ভালো মানুষ। সে কখনোই দেশ বা সমাজের বিপক্ষে নয়।’