চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ‘দর বৈষম্যের’ কারণে সরকারিভাবে চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। এ ঘটনায় নির্দিষ্ট সময় পরও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকা হারে নির্ধারণ করা হলেও খোলা বাজারে পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেশি হওয়ায় চুক্তিবদ্ধ হয়েও সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে নারাজ মিল মালিকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলায় ১৬টি অটো (স্বয়ংক্রিয়) রাইচ মিল এবং ৪৮০টি হাসকিং মিল রয়েছে। এবছর উপজেলায় ১৪ হাজার ৫৯৭ মেট্রিক টন চাল এবং ২ হাজার ২৯৮ মেট্রিক টন ধান সরকারিভাবে সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত ছিল। চলতি মৌসুমের শুরুতে (জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ) ১৩টি অটো রাইচ মিল এবং ৩০৫টি হাসকিং মিল সরকারিভাবে চাল দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। চুক্তি মোতাবেক খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু ধান সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও চাল সংগ্রহ হয়েছে মাত্র আট হাজার ৩০০ মেট্রিক টন।
উপজেলা খাদ্য-নিয়ন্ত্রক গোলাম রাব্বানি বলেন, ‘প্রতিবছর চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও এবার বিপাকে পড়তে হয়েছে। মিলারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।