আমিরাত-বাহরাইনের সঙ্গে চুক্তি সেরেই গাজায় হামলা ইসরায়েলের

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও বাহরাইনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তিতে সই করেই ফিলিস্তিনে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল।

কাতারভিত্তিক আলজাজিরা জানায়, মঙ্গলবার সারা রাত এ বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুরে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তিন দেশই চুক্তিটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছে।

পড়ুন: ‘সঠিক সময়ে’ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবে সৌদি, বিশ্বাস ট্রাম্পের

এই চুক্তিকে বিক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছে। চুক্তির প্রতিবাদে অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং গাজায় বিক্ষোভ করে ফিলিস্তিনিরা। ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপেরও ঘটনা ঘটেছে।

ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ ও রকেট নিক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। একাধিক হামলায় গাজার বেশ কিছু স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম ওয়াফা জানায়, গাজার উত্তরাংশে বেইত লাহিয়াতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একাধিক মিসাইল ছুড়ে।

এ ছাড়া মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের একাধিক এলাকায় হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমান। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকাতেও হামলা চালানো হয়।

হামলায় বেশ কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

এদিকে গাজার সরকার ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন হামাস জানায়, ‘আমাদের জনগণের উপর এবং নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোতে যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের জন্য ইসরায়েলকে দাম দিতে হবে। এ হামলার জবাব দেয়া হবে সরাসরি।’

পড়ুন: ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে না: আব্বাস