‘হৃদিতা’ নিয়ে চুপ পূজা

চলতি বছর সরকারি অনুদান পাওয়া ছবি ‘হৃদিতা’ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এবার যোগ হলো আইনি নোটিস। অনিয়ম, অনুদানের শর্ত ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘হৃদিতা’ ছবির অনুদান বাতিল ও শ্যুটিংসহ যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিতের জন্য তথ্য সচিব এবং ‘হৃদিতা’র প্রযোজকসহ ৯ জনকে নোটিস দিলেন জাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার চিত্র প্রযোজক মো. মিজানুর রহমান।

নোটিসে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল ৫০ হাজার টাকা সম্মানীর বিনিময়ে প্রযোজক মিজানুর রহমানকে উপন্যাস ‘হৃদিতা’  থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের লিখিত অনুমতি দেন এর লেখক আনিসুল হক। এরপর মিজানুর ‘ড্রিমগার্ল’ নাম দিয়ে ছবিটি পরিচালনার জন্য ইস্পাহানি আরিফ জাহানকে নিয়োগ দেন, নায়ক-নায়িকা হিসেবে রোশান ও অধরা খানকে সাইনিং মানি দেন, ছবির মহরত করেন। এমনকি শ্যুটিংয়ের প্রস্তুতিও সারেন। এসব কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। কিন্তু করোনার তাণ্ডবে সব কিছু থমকে যায়। কিন্তু এ বছরের ২৫ জুন জারি হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের সরকারি অনুদানের তালিকায় দেখা যায়, ‘হৃদিতা’র জন্য অনুদান পেয়েছেন এম এন ইস্পাহানী। সরকারি অনুদান পাওয়ার পর পরিচালক ইস্পাহানী আরিফ জাহান সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ করেন এ বি এম সুমন ও পূজা চেরিকে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পূজা চেরি বলেন, ‘হৃদিতা নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো কথা বলতে চাই না। জটিলতা কাটিয়ে উঠুক, এরপর সিনেমাটি নিয়ে কথা বলা যাবে। তবে শুধু ‘হৃদিতা’ নয়, বিতর্কিত কোনো সিনেমায় কাজ করতে চাই না। আমরা শিল্পী হিসেবে কাজ করব, কেন বিতর্কে জড়াব?’