কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৃথক দুটি অভিযানে সাড়ে ৭৬ লিটার চোলাই মদসহ ১২জনকে আটক করেছে র্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে শহরের পাওয়ার হাউজ কলোনী ও রানীর বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা তাদের আটক করেন র্যাব সদস্যরা।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন একটি মাদক ব্যবসায়ীচক্র নিয়মিত দেশীয় পদ্ধতিতে চোলাই মদ তৈরী করে ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি/খুচরা বিক্রি করে আসছে। ওই তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে মাদক ব্যবসায়ীচক্রের উপর র্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।
এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পাওয়ার হাউজ কলোনীর জনৈক মানিক লালের বসত ঘরের সামনে এবং ৯টার দিকে রানীবাজারস্থ মাছ বাজারের বাদশা স্টোরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় সাড়ে ৭৬ লিটার চোলাই মদ।
আটককৃতরা হলো- শহরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের আংগুর মিয়ার ছেলে আপন মিয়া (৫২), চন্ডিবের গ্রামের মৃত রমজান মিয়ার ছেলে মোখলেছ (পাগলা) (৪৫), একই গ্রামের মৃত মকবুল মিয়ার ছেলে নাসির, ভৈরবপুর গ্রামের মৃত নিবস্যা মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া (৫৭), একই এলাকার মৃত আলাল মেম্বারের ছেলে খোকন (৫৫), পঞ্চবটী গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে খালেদ মিয়া (৩৬), ঘোড়াকান্দা গ্রামের মৃত করম আলী মিয়ার ছেলে খুরশীদ (৬৭), কিশোরগঞ্জ সদরের কাঁঠালিয়া গ্রামের কাদের মিয়ার ছেলে নয়ন মিয়া (৩০), নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার আমলাবো গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে জায়েদুল হক (৪৮), একই জেলার শিবপুর উপজেলার ছোটাবন গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ইকবাল (৩৪), ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ঠ্যাংবর গ্রামের সুনীল চন্দ্র রায়ের ছেলে জীবন চন্দ্র রায় (৩২) ও ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সদরের দাতিয়ারা গ্রামের মৃত নূর আলীর ছেলে শাহ আলম (৫৪)।
আজ বুধবার ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে র্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ভৈরব থানায় সোপর্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের।