বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি ১৭ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে জেলার সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
অন্যদিকে বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার ৪৪ দশমিক ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৗশলী মাহবুবুর রহমান।
জানা যায়, যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর পানি বাড়ার ফলে সারিয়াকান্দি উপজেলার চরাঞ্চলের চালুয়াবাড়ী, কর্নিবাড়ী, কুতুবপুর, চন্দনবাইশা, কাজলা, কামালপুর, হাটশেরপুর, বোহাইল, ভেলাবাড়ী, ফুলবাড়ী ও সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো এবং এসব এলাকার রোপা আউশ, মাশকলাই, মরিচ, স্থানীয় জাতের গাঞ্জিয়া ধানসহ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। চতুর্থদফা বন্যার কারণে নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, যমুনা ও বাঙালী নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলায় প্রায় ৪৫৫ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
বগুড়া পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, যমুনা নদীতে বিপদসীমা নির্ধারণ করা হয় ১৬ দশমিক ৭০ মিটার। রবিবার সকাল ৬টার হিসেব অনুযায়ী নদীর পানি ১৬ দশমিক ৮৫ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বাঙালী নদীতে বিপদসীমা নির্ধারণ করা হয় ১৫ দশমিক ৮৫ মিটার। বর্তমানে এ নদীতে পানি বেড়ে ১৬ দশমিক ৩০ মিটার অর্থাৎ বিপদসীমার ৪৪ দশমিক ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।