ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
১৫ অক্টোবর স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দেলোয়ারা বেগমের বরখাস্তর বিষয়টি জানা যায়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগমের পরিবর্তে বেআইনিভাবে তার ছেলে মো. কামাল মিয়ার স্বাক্ষরে জন্মনিবন্ধন সনদ ও নাগরিক সনদপত্র প্রদানসহ অন্যান্য সকল সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর বর্ণিত ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, যেহেতু, চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগমের পরিবর্তে বেআইনিভাবে তার ছেলে কামাল মিয়ার ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ সমীচীন নয় বলে মনে করে সরকার। সেহেতু, তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগম কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ ধারা ৩৪ (১) অনুযায়ী উল্লেখিত ইউপি চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারি করা হলো এবং অবিলম্বে তা কার্যকর করা হবে।
এ বিষয়ে তালমা ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কাজ তিনি নিজেই করেন। এ ব্যাপারে তার ছেলে যিনি জেলা পরিষদের সদস্য, কামাল মিয়ার স্বাক্ষরে কোন সনদ দেওয়া হয় না।
দেলোয়ারা বেগম আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার বিপক্ষে গত নির্বাচনে যিনি পরাজিত হয়েছিলেন সেই বিএনপির প্রার্থী স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।