নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার

মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুরে ১৩৪ জেলের জেল-জরিমানা

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করায় চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জে ১৩৪ জেলেকে জেল-জরিমানার আদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরার দায়ে ৩৬ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শনিবার রাত থেকে গতকাল রবিবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২ লাখ ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২৬৬ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত ইলিশ সংরক্ষণ টাস্কফোর্সের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে ২৪ জেলে, মতলব উত্তর উপজেলা থেকে চার ও হাইমচর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আট জেলেকে আটক করা হয়। আটক জেলেদের মধ্যে আটজনকে এক বছর, ১৫ জনকে এক মাস ও আটজনকে ২০ দিন করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাকি পাঁচ জেলের বয়স কম হওয়ায় তাদের মোট ২০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী বলেন, আটক জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে দ- দেওয়া হয়।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় গতকাল রবিবার বিকেলে ৯৮ জেলেকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর আগে উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১১৬ জেলেকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস ও নৌ-পুলিশ। এ সময় ৩ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১৫০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত শনিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১১৬ জেলেকে আটক করা হয়। বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিকাশ চন্দ্র বর্মণ ও ইলিয়াস শিকদার আটক জেলেদের মধ্যে ৯৩ জনকে এক মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেন। এ ছাড়া ৫ জেলের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। ১১ জেলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বাকি ৭ জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।