কিশোরগঞ্জের নিকলীতে টাকার বিনিময়ে আদালতে ‘মিথ্যা’ তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মামলার বাদী।
গতকাল শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের সামনে মোরাদ চৌধুরী নামের বাদী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনা সত্য থাকার পরও আমার মামলার আসামিদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে অর্থের বিনিময়ে তাদের পক্ষে মামলার প্রতিবেদন দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাইফুল রহমান খান।
তবে নিকলী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাইফুল রহমান খানের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হলে তিনি অর্থ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সরেজমিনে তদন্ত করে বাদী ও আসামি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেছি।
উল্লেখ্য, উপজেলা সদরের দক্ষিণহাটি চৌধুরীবাড়ির মোরাদ চৌধুরী গত ২০ জুলাই রিনা আক্তারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে আর্থিক লেনদেন বিষয়ে আদালতে একটি প্রতারণার মামলা করেন।