যশোরে গলা কেটে হত্যা করা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের ঘোনা এলাকায় ভৈরব নদ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, সকালে এক দল কৃষক ক্ষেত থেকে মুলা তুলে নদে পরিষ্কার করতে গিয়ে কচুরিপনার নিচে চাপা দেওয়া মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়। নিহত গোলাম মোস্তফা (৫৫) একই ইউনিয়নের সরদার বাগডাঙ্গা গ্রামের মৃত পাচু মণ্ডলের ছেলে। তার ছোট ছেলে হাবিবুর রহমান মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় জামাই মেহেদি হাসান সবুজ ও প্রতিবেশী নুর ইসলাম জানান, নিহত মোস্তফা কাঠের ব্যবসা করতেন। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে তিন পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ পাওয়া যায়।
জামাই সবুজ বলেন, তার শ্বশুরের তেমন শত্রু নেই। কাঠের ব্যবসা নিয়ে কিছু পাওনাদার আছে। শনিবার তিনি ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন শ্রমিকদের দেওয়ার জন্য।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।