বেশি পণ্য আমদানির আহ্বান পাকিস্তানকে

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে রপ্তানির চেয়ে আমদানি কয়েক গুণ বেশি। উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি তাতে ভারসাম্য আনতে বাংলাদেশি পণ্য আরও বেশি হারে আমদানির জন্য পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)।

গত বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।

এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য, তথ্য-প্রযুক্তিসেবা, সিরামিক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিখাদ্য ও ওষুধ আরও বেশি হারে আমদানির আহ্বান জানান। এ ছাড়া উভয় দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল প্রেরণ, বাণিজ্য মেলা, রোড-শো আয়োজনের পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেন।

পাকিস্তান হাইকমিশনার বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানকে সেখানে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার পাশাপাশি পাকিস্তান থেকে শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও টেক্সটাইল পণ্য আমদানির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর (সিপিইসি) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময় ও খরচে চায়না, মধ্য এশিয়ার দেশ এবং রাশিয়ায় পণ্য পরিবহন করা যাবে। এই সুযোগ গ্রহণ করতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের পাকিস্তানে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ সেখানে পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে আমদানি করেছে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের পণ্য।