চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভায় নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নড়াচড়ায় হাওয়া বইতে শুরু করেছে ভোটের। এ পৌরসভায় দৌড়ঝাঁপ চোখে পড়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর। বিএনপিতেও সরব হয়েছেন কয়েকজন। তবে এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির একজনই আছেন মাঠে।
আসছে ডিসেম্বরের শেষের দিকে পৌরসভাসহ মেয়াদোত্তীর্ণ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানালে পটিয়ার পাড়া-মহল্লা, অলিগলি, মাঠে-ময়দানে দেখা দেয় নির্বাচনী কর্মতৎপরতা।
আসন্ন পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে তিনজন প্রার্থী মাঠে থাকলেও দেখার বিষয় শেষ মুহূর্তে কার হাতে উঠে নৌকার বইঠা। এ নিয়ে ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীরা করছেন চুলচেরা বিশ্লেষণ।
সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলের হাই-কমান্ড, স্থানীয় সাংসদ, জেলা-উপজেলার নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন আগের তুলনায় বেশি। দলীয় মনোনয়ন নিজের পক্ষে পেতেই এ চেষ্টা। তারা এলাকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছেন।
আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি আ. ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আইয়ুব বাবুলের নাম শোনা যাচ্ছে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টিতে শোনা যাচ্ছে পার্টির দক্ষিণ জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র শামশুল আলম মাস্টারের নাম।
অন্যদিকে, বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি না এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে। দল নির্বাচনে এলে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম। তবে, পটিয়ার দুবারের নির্বাচিত মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম এবং পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মতৎপরতায় করোনাকালেও এলাকায় রাজনৈতিক প্রাণসঞ্চার দেখা গেছে। বিভিন্ন এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও চায়ের দোকানে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন তারাই।